ইউরো-বাংলা ডেস্ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সরকারি অনুদানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সংগঠনটির তিন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে সরকারের প্রতি তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় মুখপাত্র সিনথিয়া জাহিন আয়েশা।
অভিযুক্তরা হলেন,সংগঠনটির সভাপতি রিফাত রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুল ইসলাম এবং মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তুলে ধরেন সিনথিয়া জাহিন আয়েশা।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোর জন্য সরকার থেকে প্রাপ্ত অনুদানের তথ্য গোপন করা হয়েছে। পাশাপাশি সেই অর্থের একটি অংশ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সিনথিয়া জাহিন আয়েশা বলেন, “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়, এটি সাধারণ মানুষের প্ল্যাটফর্ম। এই সংগঠনের নাম ব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপব্যবহার কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
তিনি আরও বলেন, অনুদানের অর্থের স্বচ্ছ হিসাব এখনো প্রকাশ করা হয়নি এবং অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হয়েছে কি না—তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় অনুদানের অর্থের ব্যবহারে দ্রুত অডিট পরিচালনা করতে হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত তিন নেতার কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি সামনে আসার পর ছাত্ররাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।