সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

ওমর সানি ও মৌসুমীর ২৯ বছরের রঙিন রসায়ন

ভৌগোলিক দূরত্ব যে হৃদয়ের টানে কোনো বাধা হতে পারে না, তা আবারও প্রমাণ করলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম কালজয়ী ও জনপ্রিয় দম্পতি ওমর সানি ও মৌসুমী।

ভৌগোলিক দূরত্ব যে হৃদয়ের টানে কোনো বাধা হতে পারে না, তা আবারও প্রমাণ করলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম কালজয়ী ও জনপ্রিয় দম্পতি ওমর সানি ও মৌসুমী। বর্তমানে মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলেও দেশেই রয়েছেন ওমর সানি। তবে এই হাজার মাইলের ব্যবধান তাদের সম্পর্কের উষ্ণতায় বিন্দুমাত্র ভাটা ফেলতে পারেনি।

সম্প্রতি ওমর সানির ৫৫তম জন্মদিন উপলক্ষে মৌসুমীর পাঠানো একটি আবেগঘন ভিডিও বার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, প্রিয়তম স্বামীর জন্য কেক সামনে নিয়ে ‘হ্যাপি বার্থডে’ গাইছেন ঢালিউড কুইন।

আবেগজড়িত কণ্ঠে মৌসুমী বলেন, শুভ জন্মদিন সানি। আমি চাই তুমি আমাদের মাঝে, আমার জীবনের বটগাছ হয়ে সবসময় থাকো। জন্ম থেকে জন্মান্তরে বারবার তোমাকেই আমি পাশে পেতে চাই। লাভ ইউ!

মৌসুমী সানির মায়ের প্রতিও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এমন একজন মানুষকে পৃথিবীতে আনার জন্য। স্ত্রীর এই সারপ্রাইজে আপ্লুত ওমর সানি ভিডিওটি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ধন্যবাদ প্রিয়দর্শিনী, তোমার জন্য দোয়া।

নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময়ে ‘দোলা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে এই জুটির রসায়ন শুরু হয়। পর্দার সেই প্রেম ১৯৯৫ সালের ২ আগস্ট বাস্তব রূপ নেয়। দীর্ঘ ২৯ বছরের দাম্পত্য জীবনে তারা উপহার দিয়েছেন অসংখ্য ব্যবসা সফল সিনেমা, যার মধ্যে রয়েছে, আত্মঅহংকার, প্রথম প্রেম, মুক্তির সংগ্রাম, হারানো প্রেম।

নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ‘উছিলা’ দিয়ে অভিষেক হলেও ‘চাঁদের আলো’ দিয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছানো ওমর সানি রোমান্টিক হিরো থেকে শুরু করে খল চরিত্রেও নিজের মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন।

বর্তমানে অভিনয়ে আগের মতো নিয়মিত না হলেও ওমর সানি তার রেস্টুরেন্ট ব্যবসা এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোতেও তাকে সরব দেখা যায়। তবে ভালো চিত্রনাট্য ও চরিত্র পেলে আবারও বড় পর্দায় ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এই তারকা।

ঢালিউডের এই সফল জুটির পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা বর্তমান প্রজন্মের কাছে এক অনন্য উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ‘পাওয়ার কাপল’-এর দীর্ঘায়ু ও সুখী জীবন কামনা করছেন।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন