সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

জকসু সম্পাদক নূর মোহাম্মদের ওপর সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের হামলা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)-এর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং জবি ইনকিলাব মঞ্চের সভাপতি নূর মোহাম্মদের ওপর কবি নজরুল ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)-এর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং জবি ইনকিলাব মঞ্চের সভাপতি নূর মোহাম্মদের ওপর কবি নজরুল ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ হামলার ঘটনায় নূর মোহাম্মদসহ অন্তত ৭ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আগের দিন ছাত্রদলের হামলায় আহত ইনকিলাব মঞ্চের এক নারী শিক্ষার্থীকে দেখতে ও ফল কিনতে জবি ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে যান। এ সময় ফল কিনে তাদের অপর এক সহপাঠীর জন্য অপেক্ষা করছিলেন পাঁচ সদস্য।

হামলার শিকার নূর মোহাম্মদ অভিযোগ করে বলেন, আমরা অপেক্ষা করছিলাম, এমন সময় সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি জসিম, জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেল গ্রুপের ইশারায় ২০-২৫ জন লোক নিয়ে আমাদের ঘিরে ধরে। তারা ভিডিও কলে কারো কাছ থেকে আমার পরিচয় নিশ্চিত হয় যে আমি জকসুর স্বাস্থ্য সম্পাদক। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরপরই কাঠের লাঠি ও কাঠের টুকরো নিয়ে আমাদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালানো হয়। মারধরের একপর্যায়ে আমরা রাস্তায় শুয়ে পড়লেও তারা অনবরত লাথি ও পেটানো চালিয়ে যায়।

হামলার শিকার ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন তাসিন জানান, নূর মোহাম্মদকে টার্গেট করে সিঁড়ির ওপর ফেলে মাথা, হাত ও পায়ে মারাত্মকভাবে পেটাতে থাকে তারা। পরবর্তীতে রাস্তায় ফেলে আবার হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় আলফাজ, আবু বকর ও রাকিব নামের শিক্ষার্থীরা রক্তাক্ত জখম হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, ছাত্রদল কি এখন গুন্ডা পোষা শুরু করেছে? জকসুর স্বাস্থ্য সম্পাদকসহ শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত এই হামলার প্রতিবাদে হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি জসিম উদ্দিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনা সম্পর্কে অস্বীকার করে কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রুবেল জানান, ওই সময়ে কলেজে সাধারণত কারো থাকার কথা নয়, তবুও তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছেন।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন