সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

ফের ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগ

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করার ক্ষমতা আর থাকছে না বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ)। এখন থেকে সংস্থাটির মূল কাজ হবে কেবল শিক্ষক

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করার ক্ষমতা আর থাকছে না বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ)। এখন থেকে সংস্থাটির মূল কাজ হবে কেবল শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নেওয়া এবং উত্তীর্ণদের সনদ দেওয়া। প্রার্থীদের নিয়োগের মূল দায়িত্ব ফিরে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির হাতে।

সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সভায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনসহ সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, ২০০৫ সালের মূল আইন অনুযায়ী এনটিআরসিএ কেবল নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করত। তবে ২০১৫ সালের পরিপত্র অনুযায়ী এনটিআরসিএকে সক্ষমতার বাইরে গিয়ে নিয়োগের সুপারিশ করার দায়িত্ব দেওয়ার পর নানা জটিলতা, মামলা ও অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। এ পরিস্থিতি নিরসনে ২০০৫ সালের মূল আইনি কাঠামোয় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় পরিপত্র ও প্রজ্ঞাপন সংশোধন করে জারি করা হবে।

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী স্বউদ্যোগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদনের মাধ্যমে নিয়োগ পাবেন। তাদের জন্য ৯ হাজার ৮৪২টি পদ সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

এছাড়া বর্তমানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে (মাউশি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বদলির পর যেসব নতুন শূন্যপদ তৈরি হবে, সেখানেও ১৮তম নিবন্ধনে উত্তীর্ণরা আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

সর্বশেষ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী মোট ৭৭ হাজার ৭ ৪৯টি শূন্যপদের চাহিদা পাওয়া যায়, যা যাচাই-বাছাই শেষে ৭৫ হাজার ৭৬৯টি পদের চূড়ান্ত তথ্য মেলে। এর মধ্যে ১৮তমদের জন্য সংরক্ষিত পদ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট ৬৫ হাজার ৯২৭টি শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে দ্রুত ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

৮ম এনটিআরসিএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধান (অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সুপারিনটেনডেন্ট) ও সহকারী প্রধান পদের লিখিত/এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৪ হাজার ৯৪২ জন প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। দুই ধাপেই উত্তীর্ণদের প্রত্যয়ন দেওয়া হবে।

৬ষ্ঠ ও ৭ম শিক্ষক নিয়োগে ভুল চাহিদার কারণে ভুল প্রতিষ্ঠানে সুপারিশ পাওয়া ১৯৯ জন প্রার্থীকে দ্রুত পুনঃসুপারিশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন