সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

যশোরে ৫ দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা শুরু

যশোর ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও যশোর জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এবং যশোর ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় শুরু হয়েছে ৫ দিনব্যাপী ‘ভ্রাম্যমাণ বইমেলা ২০২৬’। শনিবার (১৫ আগস্ট)

যশোর ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও যশোর জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এবং যশোর ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় শুরু হয়েছে ৫ দিনব্যাপী ‘ভ্রাম্যমাণ বইমেলা ২০২৬’। শনিবার (১৫ আগস্ট) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই ঐতিহ্যবাহী মেলার শুভ উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, এমপি। যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী সভায় প্রতিমন্ত্রী যশোর ইনস্টিটিউটের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের লাইব্রেরিমুখী করার আহ্বান জানান।

নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, যশোর ইনস্টিটিউটের সাথে আমার গভীর আবেগ জড়িয়ে আছে। এই প্রাঙ্গণেই ছিল আমার জীবনের প্রথম প্রাথমিক স্কুল এবং এখানেই আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি।

বর্তমান সময়ের ডিজিটাল আসক্তি ও সামাজিক অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বর্তমানে সবাই অতিরিক্ত মাত্রায় ডিজিটাল ডিভাইস-নির্ভর হয়ে পড়েছে, যা সমাজে অস্থিরতা তৈরি করছে। একটি সুন্দর সমাজ গঠনে আমাদের আবারও বইয়ের পাতায় ফিরে যেতে হবে।

তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পাঠাভ্যাস ফিরিয়ে আনতে সরকার ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগের কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সাঈদের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যশোর ইনস্টিটিউটের সার্বিক উন্নয়ন ও সংস্কারে সরকারের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে ৫০ লক্ষ টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দেন তিনি। ঐতিহ্যবাহী ‘তসবি মহল’ সিনেমা হল, বীর সরকার মেমোরিয়াল ঘূর্ণায়মান মঞ্চ, টাউন ক্লাব মাঠ ও ইউনাইটেড ভবনের প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত দৃশ্যমান করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, যশোর ইনস্টিটিউটের নির্বাহী কমিটির সদস্যগণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আগামী ১৯ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বসাধারণের জন্য এ বইমেলা উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ গাড়িসহ দেশ-বিদেশের বৈচিত্র্যময় বইয়ের পসরা সাজানো হয়েছে।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন