সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

৮১ বছরে পা দিলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনম: প্রথম সম্মানীর টাকায় কিনেছিলেন বাড়ি

বাংলা ও পাকিস্তানি চলচ্চিত্রের সোনালী যুগের অন্যতম জনপ্রিয় এবং কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনম ৮০ বছর পূর্ণ করে ৮১তম বছরে পা রাখলেন। ১৯৪৬ সালের ১৭ আগস্ট ঢাকায়

বাংলা ও পাকিস্তানি চলচ্চিত্রের সোনালী যুগের অন্যতম জনপ্রিয় এবং কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনম ৮০ বছর পূর্ণ করে ৮১তম বছরে পা রাখলেন। ১৯৪৬ সালের ১৭ আগস্ট ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন নন্দিত এই অভিনেত্রী।

ষাটের দশক থেকে নব্বইয়ের দশকের শেষ ভাগ পর্যন্ত রূপালী পর্দা কাঁপানো এই অভিনেত্রীকে দর্শকরা এখনো এক নামে চেনেন। ১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কাজী হায়াৎ পরিচালিত ব্লকবাস্টার ছবি ‘আম্মাজান’-এ নাম ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি জয় করে নেন কোটি দর্শকের হৃদয়। এরপর থেকে দর্শকমহলে তিনি ‘আম্মাজান’ হিসেবেই বিশেষ পরিচিতি পান।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের পাশাপাশি পাকিস্তানের সিনেমা জগতেও (ললিউড) শবনম ছিলেন একচ্ছত্র সম্রাজ্ঞী। ১৯৬১ সালে ‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রথম তারকাখ্যাতি পান তিনি। পরের বছর (১৯৬২) মুক্তি পাওয়া প্রথম উর্দু চলচ্চিত্র ‘চান্দা’ তাকে সমগ্র তৎকালীন পাকিস্তানে রাতারাতি তারকা বানিয়ে দেয়। ১৯৭০ সালে তিনি স্থায়ীভাবে ঢাকা থেকে লাহোরে চলে যান এবং দীর্ঘ তিন দশক সেখানে একের পর এক ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র উপহার দেন।

এক স্মৃতিচারণমূলক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানে অভিনয় জীবনের স্মৃতি তুলে ধরে শবনম জানান, সেখানে প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয় করে পাওয়া সম্মানী দিয়ে তিনি করাচিতে একটি দুই বেডরুমের বাড়ি কিনেছিলেন। পরবর্তীতে ঢাকায় থাকা বাবা-মা এবং ছেলে রনিকে নিজের কেনা সেই নতুন বাড়িতে নিয়ে যান তিনি।

ঢাকার চলচ্চিত্রে নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের সম্মানী প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘হারানো দিন’ ছবিতে অভিনয় করে তিনি পেয়েছিলেন ১ হাজার ২০০ টাকা, যা তিনি মায়ের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। তবে এর আগে ‘এ দেশ তোমার আমার’ ও ‘রাজধানীর বুকে’ ছবিতে নামমাত্র ও ছোট চরিত্রে অভিনয় করায় কোনো সম্মানী পাননি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গুণী এই রূপালী পর্দার তারকা আট দশকের জীবনের দীর্ঘ পথপরিক্রমায় আজও ভক্তদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে সময় কাটাচ্ছেন।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন