সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

আমেরিকা থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বছরে ৭ লাখ টন গম ক্রয় করবে বাংলাদেশ

দেশের মানুষের পুষ্টি নিরাপত্তায় উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্যশস্যের যোগান বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতি বছর সর্বোচ্চ ৭ লাখ মেট্রিক টন গম আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই উদ্দেশ্যে

দেশের মানুষের পুষ্টি নিরাপত্তায় উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্যশস্যের যোগান বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতি বছর সর্বোচ্চ ৭ লাখ মেট্রিক টন গম আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) মনোনীত গমচাষিদের সংগঠন ‘ইউএস হুইট অ্যাসোসিয়েশন’ (ইউএসডব্লিউএ)-এর মধ্যে ২০৩০ সাল পর্যন্ত মেয়াদী একটি দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

প্রকাশিত ওই বার্তায় উল্লেখ করা হয়, চুক্তি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উন্নতমানের গমের চালান বাংলাদেশে আসতে শুরু করেছে। চালানের আগমনকে স্বাগত জানিয়ে দুই দেশের বাণিজ্য ও খাদ্য নিরাপত্তার এই অংশীদারিত্বকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে বার্ষিক গমের যে মোট চাহিদা রয়েছে, তার মাত্র ১৩ শতাংশ অভ্যন্তরীণভাবে উৎপাদিত হয়। ফলে চাহিদার বাকি প্রায় ৮৭ শতাংশই বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানির মাধ্যমে পূরণ করতে হয়। মার্কিন দূতাবাস জানায়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা প্রোটিনসমৃদ্ধ ও পুষ্টিকর এই গম দেশের মানুষের পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে ও বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

এই চুক্তির ফলে কেবল বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তাই সুসংহত হবে না, বরং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষক ও গম রফতানিকারকদের জন্যও একটি বড় এবং স্থিতিশীল আন্তর্জাতিক বাজার তৈরি হলো। এই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য মার্কিন কৃষিখাত ও তাদের জাতীয় অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে মার্কিন দূতাবাস।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন