সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

অর্থের অভাবে বন্ধ হবে না পড়াশোনা, বাল্যবিবাহে কঠোর হুঁশিয়ারি প্রতিমন্ত্রী অমিতের

অর্থের অভাবে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ থাকবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং যশোরের সংসদ সদস্য অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সরকারি

অর্থের অভাবে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ থাকবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং যশোরের সংসদ সদস্য অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সরকারি প্রতিষ্ঠানে অর্থের অভাবে কেউ ভর্তি হতে না পারলে কিংবা পরীক্ষার ফি দিতে না পারলে তার দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

শনিবার সকালে যশোর পিটিআই অডিটোরিয়ামে মানসম্মত ও নৈতিক শিক্ষার উন্নয়ন এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণে প্রধান শিক্ষক, শিক্ষা কর্মকর্তা ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতিদের সাথে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, যশোর আজ যা করে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আগামীকাল বা আগামী পরশু সেটাই অনুসরণ করে। সেহেতু আমরা শিক্ষার এই সুফল যশোরের মাটি থেকেই নিশ্চিত করতে চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে যশোরে অর্থের অভাবে কারও পড়ালেখা বন্ধ না হওয়ার বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করব।

তিনি আরও জানান, টাকার অভাবে যেন কেউ ভর্তি বা পরীক্ষার ফি থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানেরা জেলা প্রশাসন বা তাকে সরাসরি জানাতে পারবেন। তবে এ দায়িত্ব কেবল সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে বলে তিনি পরিষ্কার করেন।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাল্যবিবাহ কোনো ছেলেখেলা নয়। কোনো শিক্ষার্থী বাল্যবিবাহের শিকার হলে সংশ্লিষ্ট বাবা-মাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে, বিয়ে পরিচালনাকারী কাজীর নিবন্ধন বাতিল করা হবে এবং স্থানীয় ইউপি সদস্যকেও জবাবদিহি করতে হবে।

যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) খান মাসুম বিল্লাহ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার হকসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতিরা উপস্থিত ছিলেন।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন