নড়াইলে ১০ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে ধর্ষণের অপরাধে মেরাজ আলী (২৫) নামের এক শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) নড়াইলের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত মেরাজ আলী চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার রুদ্রপুর কালিয়াবকরি গ্রামের আমান উল্লাহ হকের ছেলে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত বছরের ১০ জুলাই রাতে নড়াইল পৌরসভার রঘুনাথপুর এলাকার জামিয়া রহমানিয়া তাইছিরুল উলুম মাদ্রাসার ওই শিক্ষক শিশুটিকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি কাউকে না জানাতে ভয়ভীতিও দেখান তিনি। পরবর্তীতে শিশুটি তার মাকে জানায় যে, অভিযুক্ত শিক্ষক গত দুই মাসে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন।
ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিযুক্ত মেরাজ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ১২ জুলাই স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। ওই দিনই শিশুটির মা বাদী হয়ে নড়াইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে নড়াইলের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আজিবুর রহমান আজিজ জানান, আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৩ লাখ টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন। জরিমানার এই টাকা আদায় করে ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারকে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।