সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির তীব্র নিন্দা বাসদের, বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি

জ্বালানি তেলের চরম মূল্য বৃদ্ধির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো

জ্বালানি তেলের চরম মূল্য বৃদ্ধির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গত ৫ মাসে ৩ বার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে, যা সরকারের স্পষ্ট গণবিরোধী নীতিরই বহিঃপ্রকাশ। সব ধরনের জ্বালানি তেলের লিটারপ্রতি বর্ধিত ২০ টাকা অবিলম্বে প্রত্যাহার করার জোর দাবি জানান তিনি।

বাসদ সাধারণ সম্পাদক সতর্ক করে বলেন, এক লাফে লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ায় পরিবহন খরচ, সেচ ও উৎপাদন ব্যয়, বিদ্যুতের দাম এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিসের দাম বহুলাংশে বেড়ে যাবে। এর ফলে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের জীবনযাত্রা চরম দুর্বিষহ হয়ে উঠবে। মুক্তবাজারের নিষ্ঠুর কষাঘাতে পিষ্ট সাধারণ মানুষের ওপর রাষ্ট্র আবারও জুলুমের বোঝা চাপিয়ে দিল।

তেলের মূল্যবৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট হিসাব তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, লিটারপ্রতি ১৭.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৫ টাকায়, যা সরাসরি কৃষি সেচ ও উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে প্রান্তিক কৃষকদের খাদের কিনারায় ঠেলে দেবে। গ্রামীণ মেহনতি মানুষের আলোর উৎস কেরোসিনের দাম ১৪.৮ টাকা বাড়িয়ে ১৫৫ টাকা করা হয়েছে। নতুন মূল্যে পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যেখানে সাধারণ মানুষ মূল্যস্ফীতি এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির সংকটে নাভিশ্বাস তুলছে, সেখানে বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ না করে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং জনগণের ওপর করের বোঝা চাপিয়ে লোকসান কমানোর চেষ্টা মূলত আমজনতার পকেট কাটার শামিল।

বিবৃতির শেষাংশে বজলুর রশীদ ফিরোজ অনতিবিলম্বে তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির সংকট নিরসন এবং সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার আহ্বান জানান।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন