সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়া প্রসঙ্গে নির্দিষ্ট সময়সীমা বলা সম্ভব নয়: ভারতীয় হাইকমিশনার

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়টি একটি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার অংশ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার বিষয়টি একটি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার অংশ এবং এতে বিচার বিভাগ জড়িত। ফলে এই বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে বলা সম্ভব নয়।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত পঞ্চম ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’-এর ‘পাওয়ার অ্যান্ড প্রুডেন্স’ শীর্ষক এক অধিবেশনে শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনার ভারত গমনের পটভূমি ব্যাখ্যা করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, শেখ হাসিনার ভারতে যাওয়ার প্রেক্ষাপটটি আগে বুঝতে হবে। ভারতীয় বিমানবাহিনী বা সেনাবাহিনী তাকে ভারতে নিয়ে যায়নি। ওই সময়ে বাংলাদেশের উদ্ভূত দুঃখজনক পরিস্থিতির কারণে এমনটি ঘটেছিল। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বিশ্বে বা কোনো অঞ্চলে যেন এমন পরিস্থিতি আর কখনো তৈরি না হয় যেখানে নিরপরাধ মানুষের জীবনহানি ঘটে।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনাকে বহনকারী সামরিক বিমানটি যখন ভারতে অবতরণ করে, তার জন্য ভারত মোটেও প্রস্তুত ছিল না। সেই সময়ে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং আমাদের সামনে তাৎক্ষণিকভাবে বিকল্প কোনো পথ ছিল না। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আমাদের দায়িত্ব ছিল পরিস্থিতির বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া। যদি আমরা অবতরণের অনুমতি না দিতাম, তবে পরিস্থিতি কী দাঁড়াত তা বলা কঠিন।

ঘটনাটিকে সে সময়ের একটি ঐতিহাসিক বাস্তবতা উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত যে আইনগত পথ রয়েছে, সেটি নিজের নিয়মেই চলবে। বাংলাদেশ যেমন একটি প্রাণবন্ত গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বিচারব্যবস্থা ও আইনের শাসনকে সম্মান জানায়, ভারতও গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে নিজস্ব আইনি প্রক্রিয়াকে সম্মান করে।

উল্লেখ্য, ভারত সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের বরাতে তিনি জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য একটি নির্দিষ্ট ও সুগঠিত আইনি কাঠামো বিদ্যমান রয়েছে এবং আইনি পথেই এটি নিষ্পত্তি হবে।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন