সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

দেশের ১০ জেলা হাসপাতালে চালু হচ্ছে আইসিইউ

দেশের প্রান্তিক ও জেলা পর্যায়ের সাধারণ মানুষের জরুরি চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করতে ১০টি জেলা সদর হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) চালু করা হচ্ছে। সরকারের ‘জরুরি

দেশের প্রান্তিক ও জেলা পর্যায়ের সাধারণ মানুষের জরুরি চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করতে ১০টি জেলা সদর হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) চালু করা হচ্ছে। সরকারের ‘জরুরি রেসপন্স ও মহামারি প্রস্তুতি (ইআরপিপি)’ প্রকল্পের আওতায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এসব আইসিইউ স্থাপন করা হয়েছে।

আজ রোববার (১৪ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে এই ১০টি হাসপাতালের আইসিইউ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

নতুন করে যে ১০টি জেলা সদর ও জেনারেল হাসপাতালে এই জীবনরক্ষাকারী আইসিইউ সেবা চালু করা হচ্ছে, সেগুলো হলো, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, মুন্সীগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল, টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল , সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল , গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ,চুয়াডাঙ্গা জেলা হাসপাতাল , নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতাল , শেরপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল , মাদারীপুর জেলা হাসপাতাল ,বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই আইসিইউ কেন্দ্রগুলোকে শতভাগ কার্যকর করতে ইতিমধ্যে প্রতিটি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ‘পেডিয়াট্রিক ভেন্টিলেটর’ (শিশুদের কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস সচল রাখার যন্ত্র) এবং আধুনিক অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে আইসিইউ পরিচালনার জন্য দক্ষ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্সসহ সংশ্লিষ্ট জনবলও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে জেলা পর্যায়ে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক—উভয় ধরনের রোগীদের জন্যই উন্নতমানের জরুরি ও নিবিড় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, জেলা পর্যায়ে এই আইসিইউগুলো পুরোদমে চালু হওয়ার ফলে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় বড় একটি পরিবর্তন আসবে। এখন থেকে জটিল রোগে আক্রান্ত শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের উন্নত ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার’ সেবার জন্য আর রাজধানী ঢাকা বা নিকটস্থ বড় বিভাগীয় শহরের দিকে ছুটতে হবে না।

এতে একদিকে যেমন রোগীদের যাতায়াতের পেছনে বড় অঙ্কের খরচ ও ভোগান্তি কমবে, অন্যদিকে সময়মতো স্থানীয় পর্যায়ে জরুরি উন্নত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার ফলে বহু মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন