সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে উত্তরায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া এবং ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে ঢাকার উত্তরায়

বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া এবং ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে ঢাকার উত্তরায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পরীক্ষার্থীরা। বুধবার (১৫ জুলাই) বেলা ১টা ৩০ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনে শিক্ষার্থীরা এই বিক্ষোভ শুরু করেন।

বিক্ষোভের একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করলে ঢাকা ও গাজীপুরমুখী সব ধরনের যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, চরম দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়ায় দেশের অসংখ্য শিক্ষার্থী মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন। এছাড়া গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র ত্রুটিপূর্ণ ছিল বলেও তারা অভিযোগ তোলেন।

শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি হলো, দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা। বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাইয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা ও শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবারও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষা স্থগিতের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছিলেন।

বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত যথারীতি আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র, হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সার্বিক বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, জলাবদ্ধতার কারণে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। তবে দেশের অন্য সব শিক্ষা বোর্ডে পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই এই পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন