সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ পরীক্ষার ভিডিও ধারণ ঘিরে ছাত্রদলের দুই নেতার মারামারি

পটুয়াখালীর বাউফলে ফ্যামিলি কার্ডের সুপারভাইজার পদে অস্থায়ী নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে ভিডিও ধারণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল্লাহ আল ফাহাদ ও পৌর ছাত্রদলের সাবেক

পটুয়াখালীর বাউফলে ফ্যামিলি কার্ডের সুপারভাইজার পদে অস্থায়ী নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে ভিডিও ধারণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল্লাহ আল ফাহাদ ও পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব সাদিকুজ্জামান রাকিবের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

গতকাল শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে ফ্যামিলি কার্ডের সুপারভাইজার পদে অস্থায়ী নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ ওঠে, পরীক্ষা চলাকালে একটি রাজনৈতিক দলের কয়েকজন পরীক্ষার্থী একে অপরের খাতা দেখে উত্তর লিখছিলেন। ওই দৃশ্য হলরুমের বাইরে থেকে নিজের মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল্লাহ আল ফাহাদ।

পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের সড়কে আব্দুল্লাহ আল ফাহাদের সঙ্গে পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব সাদিকুজ্জামান রাকিবের তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একপর্যায়ে দুই ছাত্রনেতা হাতাহাতি ও কিলঘুষিতে জড়িয়ে পড়েন।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ বলেন, পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আমরা হলের বাইরে ছিলাম। পরীক্ষা চলাকালে দেখতে পাই জামায়াতের কয়েকজন পরীক্ষার্থী একে অপরের খাতা দেখে উত্তর লিখছেন। আমি হলের বাইরে থেকেই সেই দৃশ্য ভিডিও করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরীক্ষা শেষে সাদিকুজ্জামান রাকিব আমার ওপর হামলা চালান। আমি কেবল আত্মরক্ষা করেছি।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব সাদিকুজ্জামান রাকিব বলেন, পরীক্ষার হলের দৃশ্য ভিডিও করায় সাধারণ পরীক্ষার্থীদের সমস্যা হয়েছে এবং এতে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। আমি বিষয়টি জানতে চাইলে কথা কাটাকাটি হয় মাত্র, কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে বাউফল থানার কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই নেতার মধ্যে তর্কাতর্কির সংবাদ তিনি পেয়েছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন