সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

পল্লবীতে রামিসা হত্যা বিচারহীনতার প্রতিচ্ছবি: ছাত্র জমিয়ত

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ। এই বর্বরোচিত ঘটনাকে

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ। এই বর্বরোচিত ঘটনাকে ‘দেশে চলমান বিচারহীনতার সংস্কৃতির এক নির্মম প্রতিচ্ছবি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।

বুধবার (২০ মে) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী এবং সাধারণ সম্পাদক সাআদ বিন জাকির বলেন, নিজ বাসার পাশের ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনা দেশবাসীর বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। যে পৈশাচিকতায় শিশুটিকে হত্যা করে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং দেহ খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছে, তা কোনো সভ্য সমাজে কল্পনা করা যায় না।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় অভিযোগ করে বলেন, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানার বিরুদ্ধে আগে থেকেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ছিল। কিন্তু বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে তার কোনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়নি। ফলে সে আরও বড় অপরাধ করার সাহস পেয়েছে। এই ধরনের বিকৃত রুচির অপরাধীদের সমাজে অবাধে ঘুরে বেড়ানো সাধারণ মানুষের জীবনের জন্য চরম হুমকি।

তারা আরও বলেন, রামিসার মা যখন নিজের সন্তানকে হন্যে হয়ে খুঁজছিলেন, ঠিক তখন ঘাতক সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এই ঘটনা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নাজুক অবস্থাকেই নির্দেশ করে। এই অবস্থা চলতে থাকলে শিশুরা আর কোথাও নিরাপদ থাকবে না। ছাত্র জমিয়তের নেতারা অবিলম্বে ঘাতক সোহেল রানা ও তার সহযোগীদের বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দ্রুত বিচার করে সর্বোচ্চ শাস্তি ‘ফাঁসি’ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।

উল্লেখ্য, রয়পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয়রা সোহেল রানার জামায়াত সংশ্লিষ্টতার দাবি করার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন