সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে প্রতিরোধমূলক ও

প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে প্রতিরোধমূলক ও দমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি জনসেবাকে হয়রানিমুক্ত, বিলম্বমুক্ত ও স্বচ্ছ রাখতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।

বুধবার (১০ জুন) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের চতুর্থ দিনের কার্যক্রমে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য আবুল কালাম জানতে চান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী জনস্বার্থে যেসব নির্দেশনা দিয়েছেন, সেগুলো কী কী।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের উদ্দেশে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা পরিহার করে দ্রুত, বাস্তবসম্মত ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। নিয়োগ, বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে সততা, মেধা ও দক্ষতাকে একমাত্র মানদণ্ড হিসেবে অনুসরণ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কাঠামোর কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংস্কারমূলক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারি সেবা প্রদানের ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী, দক্ষ ও স্বচ্ছ করতে ডিজিটাল রূপান্তর কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে হবে। আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জনগণ যেন কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই দ্রুত সরকারি সেবা পেতে পারে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে কঠোর নজরদারি ও জবাবদিহিমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের মাধ্যমে প্রশাসনে সুশাসন, দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান এবং জনমুখী সেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত হয়েছে বলে সংসদে অভিমত প্রকাশ করা হয়।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন