সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

ট্রাম্প-নেতানিয়াহু দ্বিপাক্ষিক বৈঠক: ইরানে নতুন করে হামলার হুমকি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট এক বার্তায়

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট এক বার্তায় এই বৈঠককে অত্যন্ত ‘ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ’ বলে অভিহিত করেছেন। ওভাল অফিসে একই দিনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সাথেও পৃথক বৈঠক করেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর মধ্যে এটিই প্রথম সরাসরি মুখোমুখি বৈঠক। বৈঠক শেষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু এই আলোচনাকে তাঁর মেয়াদকালের অন্যতম সেরা আলোচনা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে তা নিশ্চিত করা এবং ইসরায়েলের সুরক্ষায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা সমন্বয় করাই ছিল এই বৈঠকের মূল অগ্রাধিকার।

বৈঠকে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের পাশাপাশি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং ইসরায়েলি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাসহ শীর্ষ সামরিক ও কূটনৈতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রমের ওপর কড়া নজর রাখার কথা জানান। ইরানের ‘পিক্যাক্স মাউন্টেন’ সাইট প্রসঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, সেখানে কী ঘটছে তা আমি পুরোপুরি জানি। ইতিমধ্যেই তাদের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর বড় ক্ষতি করা হয়েছে। তারা যদি সমঝোতা বা চুক্তিতে না আসে, তবে পিক্যাক্স মাউন্টেনও ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অধীনে থাকা যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, তার মাঝেই দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এই কৌশলগত বৈঠক সম্পন্ন হলো।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন