সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

মডেল মিষ্টি সুবাস জুলাই হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার

সদ্য সমাপ্ত বছরের জুলাই মাসে আশুলিয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিবর্ষণের ঘটনায় দায়ের হওয়া একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে মডেল সিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে

সদ্য সমাপ্ত বছরের জুলাই মাসে আশুলিয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিবর্ষণের ঘটনায় দায়ের হওয়া একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে মডেল সিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে মিষ্টি সুবাসকে। তিনি চলতি বছরের শুরুতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য আলোচনায় এসেছিলেন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালত তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। মিষ্টি সুবাসের আইনজীবী গোলাম রাব্বানী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ৩ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক শফিউল আলম সোহাগ মিষ্টি সুবাসকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আবেদন করেন। আদালত সেই দিন আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করেছিলেন। সেই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেন।

আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিবর্ষণের ঘটনায় মিষ্টি সুবাস এজাহারভুক্ত আসামিদের সহযোগী হিসেবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নিয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি আশুলিয়া থানার অপর একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। তদন্তে প্রাথমিকভাবে এই মামলার ঘটনার সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে, যার জন্য তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বেলা ২টা ৩০ মিনিটের দিকে বৈষম্যবিরোধী কোটা আন্দোলনের পক্ষে মিছিল করার জন্য আশুলিয়া থানাধীন বাইপাইল মোড় এলাকায় ভুক্তভোগী রুহুল আমীন অংশ নেন। এই সময় আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে রুহুল আমীনের বাম পায়ের গোড়ালিতে গুলি লেগে তিনি গুরুত্বর আহত হন। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে গত ৩ অক্টোবর রুহুল আমীন বাদী হয়ে এই হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোট ৫৩ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়।

উল্লেখ্য, চলতি বছর গত ২৬ মার্চ দুপুর ১টা ১০ মিনিটে আশুলিয়া থানাধীন নবীনগর জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল বেদির সামনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২২ বা ২৫ জন নেতাকর্মী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘অবৈধ নির্বাচনের অবৈধ সরকার মানি না মানবো না’, ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দেয়। সেই সময় মিষ্টি সুবাসসহ দুজনকে পুলিশ আটক করে। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে তিনি জামিনে মুক্ত হন। এখন আবারও জুলাইয়ের হত্যাচেষ্টা মামলায় তার নাম জড়াল।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন