সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

জুলাই ডকুমেন্টরিতে জীবিত সাংবাদিককে ‘শহীদ’ দেখিয়ে বিতর্ক

রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক কর্মসূচিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে’ শহীদ সাংবাদিকদের স্মরণে প্রদর্শিত উপস্থাপনায় এক জীবিত সাংবাদিকের ছবি ব্যবহার করে তাকে ‘শহীদ’ হিসেবে দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৭

রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক কর্মসূচিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে’ শহীদ সাংবাদিকদের স্মরণে প্রদর্শিত উপস্থাপনায় এক জীবিত সাংবাদিকের ছবি ব্যবহার করে তাকে ‘শহীদ’ হিসেবে দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ডেমোক্রেটিক জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স (ডিজেএ) আয়োজিত ‘সাংবাদিকের চোখে জুলাই’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেল জানান, অনুষ্ঠানের প্রেজেন্টেশনে তার ছবি ব্যবহার করে তাকে ২০২৪ সালের ৪ জুলাই হবিগঞ্জে শহীদ বলে দাবি করা হয়। তবে ছবিতে নাম দেওয়া হয় ‘সোহেল আকাঞ্জি’।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেল লেখেন, আমি মিজানুর রহমান সোহেল। পেশায় লেখক ও সাংবাদিক। এবং হ্যাঁ, আমি এখনো জীবিত আছি। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সংবাদটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে সহকর্মী ও স্বজনদের ফোন পেয়ে তাকে বারবার স্পষ্ট করতে হচ্ছে যে তিনি জীবিত আছেন। এ ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ে উপস্থাপনার আগে সঠিক তথ্য যাচাই না করা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন এবং দায়িত্বশীল ব্যাখ্যা দাবি করেন।

এ ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা ও বিভ্রান্তি তৈরি হলে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার জানান, ডকুমেন্টারিতে শহীদ সাংবাদিকের নাম সঠিক থাকলেও অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ছবিটি ভুল এসেছে এবং তা দ্রুত সংশোধন করা হবে।

পরবর্তীতে এনসিপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ভুল স্বীকার করে জানানো হয়, এটি একান্তই ভুলবশত হয়েছে। দেশের অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার জগতে মিজানুর রহমান সোহেল সুপরিচিত নাম। এই ভুলের জন্য এনসিপির মিডিয়া, ব্র্যান্ডিং ও প্রচার উপকমিটির পক্ষ থেকে মিজানুর রহমান সোহেলসহ সবার কাছে আন্তরিক দুঃখপ্রকাশ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিষয়টিকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য অনুরোধ জানায় সংগঠনটি।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন