সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

সংসদ অভিমুখে ১১ দলীয় জোটের পদযাত্রা: গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তরের দাবি

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন অভিমুখে পদযাত্রা ও গণসমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যজোট। রোববার (৩০ আগস্ট) ‘বাংলাদেশ গুম

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবন অভিমুখে পদযাত্রা ও গণসমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যজোট। রোববার (৩০ আগস্ট) ‘বাংলাদেশ গুম প্রতিরোধ দিবস পালন জাতীয় কমিটি’র ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশকে পরিবর্তন ছাড়া হুবহু আইনে রূপান্তর এবং ভুক্তভোগীদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটর মোড় থেকে পদযাত্রাটি শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হয়।

এর আগে দুপুর ৩টায় বাংলামোটরের রূপায়ন ট্রেড সেন্টারের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুমের শিকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রণীত গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশকে অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত করার জোর দাবি জানানো হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত নেতারা ও ভুক্তভোগীদের স্বজনেরা গুমের শিকার ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান ও পুনর্বাসনের পাশাপাশি গুম কমিশনের করা সুপারিশ বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। পদযাত্রা থেকে ‘বাংলাদেশে আয়নাঘর, থাকবে না রে থাকবে না’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন ভারতে’ সহ বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেওয়া হয়।

পদযাত্রা ও গণসমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জোটের সমন্বয়ক এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, সাবেক বিএনপি নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এবং জাগপার মুখপাত্র ও সহসভাপতি রাশেদ প্রধান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ১১ দলের শীর্ষ নেতারা এবং গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনেরা এতে অংশ নেন।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন