সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

‘ব্যবস্থা নিলে শূন্য হাতে ফিরতে হবে’: ইতালির ঘটনায় আসিফ নজরুল

ইতালির মেস্ট্রেতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। অভিযুক্তদের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা দিয়ে

ইতালির মেস্ট্রেতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার অভিযোগে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। অভিযুক্তদের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলে শেষ পর্যন্ত ‘শূন্য হাতে দেশে ফিরতে হবে’।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

ফেসবুক পোস্টে আসিফ নজরুল লেখেন, আওয়ামী লীগের কিছু কর্মীর কর্মকাণ্ড দেখে তিনি অত্যন্ত বিস্মিত। অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনাটি অভিযুক্তরা নিজেরাই প্রচার করে নিজেদের বিরুদ্ধে ‘অকাট্য প্রমাণ’ রেখে দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ কর্মীদের সতর্ক করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এখন যদি আপনাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, শূন্য হাতে দেশে ফিরতে হবে। সেটা আপনাদের জন্য বা আপনাদের পরিবারের জন্য কি ভালো হবে?

রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করে সাবেক এই উপদেষ্টা প্রশ্ন করেন, “কার জন্য করেন এসব? নতুন বেশে সজীব ওয়াজেদ জয়কে দেখে কি এসব করছেন? আপনারা কি সত্যি বিশ্বাস করেন, তাঁর বা তাঁর মায়ের হৃদয় কাঁদে আপনাদের জন্য, কিংবা তাঁরা আপনাদের ভাগ্য বদলে দিতে পারবেন?”

কর্মীদের নিজেদের জীবনের ঝুঁকি না নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, দলের সুবিধাবাদী ও স্বার্থপর নেতাদের এ বিষয়ে প্রশ্ন করা উচিত। একই সাথে বিদেশে দেশের সম্মান ক্ষুণ্ন না করে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

নিজের অতীতের এক অভিজ্ঞতার কথা টেনে আসিফ নজরুল লেখেন, দুই বছর আগে জেনেভায় তাঁর ওপর ‘মব’ সৃষ্টি করা হলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। তবে ছাড় পেয়ে আওয়ামী লীগের একাংশের কর্মীরা আরও ‘নোংরা ও বেপরোয়া’ হয়ে উঠেছে, যা আর সহ্য করার মতো নয়।

উল্লেখ্য, এর আগে বাংলাদেশ সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ফেসবুক লাইভে এসে ইতালির মেস্ট্রেতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হাতে হেনস্তা ও শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার হওয়ার অভিযোগ তোলেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন