সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

জাবির প্রধান ফটকে ৬ দফা দাবিতে ছাত্রলীগের ঝটিকা মানববন্ধন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রধান ফটকের সামনে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মীকে ঝটিকা মানববন্ধন করতে দেখা গেছে। রাজনৈতিক কারণে প্রদত্ত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, মিথ্যা মামলা বাতিল ও রাজবন্দিদের মুক্তিসহ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রধান ফটকের সামনে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মীকে ঝটিকা মানববন্ধন করতে দেখা গেছে। রাজনৈতিক কারণে প্রদত্ত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, মিথ্যা মামলা বাতিল ও রাজবন্দিদের মুক্তিসহ ৬ দফা দাবি জানিয়ে তাঁরা এ কর্মসূচি পালন করেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। তবে মানববন্ধনের সুনির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ব্যানার-পোস্টার হাতে ৬ জন দাঁড়িয়ে আছেন। শনাক্তদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মী ও ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী এম এইচ লালন, রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী আল মাহমুদ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল সাদ এবং পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সজিব। বাকি দুজন মুখ ও মাথায় মাস্ক এবং হেলমেট পরা থাকায় তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।

মানববন্ধনে তাঁদের প্রদর্শিত পোস্টারে তুলে ধরা ৬ দফা দাবিগুলো হলো, রাজনৈতিক কারণে শিক্ষার্থীদের ওপর প্রদত্ত বহিষ্কারাদেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার ও শিক্ষার মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা। আইসিটি ট্রাইব্যুনাল বাতিল, রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার ও রাজবন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তি। শামীম মোল্লা, মাসুদ ও তোফাজ্জালসহ সব বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন করা। নারী ও শিশুর ওপর ধর্ষণ-বুলিং সহ যাবতীয় সহিংসতা প্রতিরোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ। হাম টিকার অর্থ আত্মসাৎ তদন্ত ও শিশু মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করা। তথাকথিত ‘সাম্রাজ্যবাদী চুক্তি’ বাতিল এবং তেল, গ্যাস, সার ও বিদ্যুতের সুলভ মূল্য নির্ধারণ করা।

অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জেফরুল হাসান চৌধুরী জানান, খবরটি জানা মাত্রই সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার কাজ শুরু হয়েছে। ফুটেজ দেখে মানববন্ধনের সময়সীমা ও সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, ছাত্রলীগের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড রোধে নিরাপত্তা শাখাকে আগেই সতর্ক দৃষ্টি রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ছড়িয়ে পড়া ছবি ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই-বাছাই করে সময় চিহ্নিত করার পর এ বিষয়ে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন