সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

‘রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে আমার জানা নেই’: থাইল্যান্ড থেকে ফিরে স্পিকার

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর গুঞ্জন ও আলোচনার মধ্যে সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তবে

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর গুঞ্জন ও আলোচনার মধ্যে সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তবে তিনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্পিকার এসব কথা বলেন।

‘যা শুনেছেন, আমিও সেভাবেই শুনেছি’ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ সংক্রান্ত গুঞ্জনের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, আমি দেশের বাইরে ছিলাম। কে পদত্যাগ করল, কী করল এ বিষয়ে আমার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য নেই। এখন হয়তো জানতে পারব। আপনারা যেভাবে শুনেছেন, আমিও সেভাবেই শুনেছি। তিনি কী করবেন বা করবেন না, তা আমি জানি না। এটি একটি অনুমাননির্ভর বিষয়।

নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই দেশে ফেরার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, ২৬ তারিখে ফেরার কথা থাকলেও ব্যক্তিগত কাজ ও মেডিকেল চেকআপ সময়মতো শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি আগেই চলে এসেছেন।

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে তার পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়া কী হবে এমন প্রশ্নের উত্তরে স্পিকার সংবিধানের সুনির্দিষ্ট নিয়মগুলো ব্যাখ্যা করেন, সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশ্যে লিখিত এবং নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অপারগ হলে, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব সামলাবেন।

স্পিকার জানান, সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে স্পিকারের কাছে তা জমা দেবেন এবং জাতীয় সংসদ আগামী ৯০ দিনের (তিন মাস) মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে।

উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত চিকিৎসার জন্য গত ১৯ জুলাই ব্যাংকক গিয়েছিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। দ্রুত কাজ শেষ হওয়ায় পূর্বনির্ধারিত ২৬ জুলাইয়ের পরিবর্তে শুক্রবারই তিনি দেশে পা রাখেন।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন