সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

শিক্ষকদের টাকা লুটে দুর্বল ব্যাংকে রেখেছিল বিগত সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিগত আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিটি খাতেই লুটপাটের ধারা প্রতিষ্ঠা করেছিল এবং তা থেকে অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরাও রেহাই পাননি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার

বিগত আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিটি খাতেই লুটপাটের ধারা প্রতিষ্ঠা করেছিল এবং তা থেকে অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরাও রেহাই পাননি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর সুবিধার পাওনা টাকা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা দুর্বল ব্যাংকে স্থানান্তর করে নিজেদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের সুবিধা করে দেওয়া হয়েছিল। ফলে ২০২২ সাল থেকে দীর্ঘ চার বছর শিক্ষকরা তাঁদের প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। ভোগান্তি নিরসনে চার বছর পর আজ ১ লাখ ২৩ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর পাওনা টাকা অনলাইনের মাধ্যমে সরাসরি হস্তান্তর করা হলো।

তিনি মরহুম সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, ১৯৯১ সালে শিক্ষকদের অবদানের কথা ভেবে তিনি ‘বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে অবসর সুবিধা চালুর সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বেগম খালেদা জিয়াকে শিক্ষার্থীবান্ধব নেতা উল্লেখ করে নারী শিক্ষার প্রসারে তাঁর উপবৃত্তি ও বিনা বেতনে শিক্ষার যুগান্তকারী ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

শিক্ষকদের পাওনা আদায়ে দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়ম নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবসরের টাকা তুলতে শিক্ষকদের ভোগান্তি বা ঘুষের শিকার হওয়া জাতীয় দৈন্যতার বহিঃপ্রকাশ। ভবিষ্যতে এ ধরনের হয়রানি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।

শিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে দেশের ৬৪টি জেলা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আনন্দ ও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন