সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

খাগড়াছড়িতে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের হামলায় বিএনপির ৬ নেতাকর্মী আহত

খাগড়াছড়ির গুইমারায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হামলায় বিএনপির ৬ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার (১০ জুন) রাতে গুইমারার বড়পিলাক ও

খাগড়াছড়ির গুইমারায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হামলায় বিএনপির ৬ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার (১০ জুন) রাতে গুইমারার বড়পিলাক ও বাইল্যাছড়ি এলাকায় পৃথক দুটি স্থানে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন,গুইমারার হাফছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির, বড়পিলাক ওর্য়াড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মামুন, সদস্য জাহাঙ্গীর আলম রনি, ওর্য়াড যুবদলের সদস্য মামুন, সদস্য মাহবুব আলম এবং বাইল্যাছড়ি ওর্য়াড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. বাবু। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে গুইমারার বড়পিলাক এলাকার মো. হাশেমের বাড়িতে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠক করছেন, এমন খবর পান স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। সেখানে তারা খোঁজ নিতে গেলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই বিএনপির ৫ নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন।

একই সময়ে উপজেলার বাইল্যাছড়ি এলাকায় ওর্য়াড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. বাবুর ওপর বাপ্পি ত্রিপুরা নামে ছাত্রলীগের এক কর্মী অতর্কিত হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাবুকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গুইমারা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম সোহাগ এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া সংগঠনের নেতাকর্মীরা এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই হামলা চালিয়েছে। হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দী জানান, ঘটনার বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন