যশোর সদর উপজেলার মঠবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা সোহেল রানার বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে শরিকের জমি দখল, প্রতারণা এবং রাজনৈতিক পরিচয় বদলে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তিনি একই গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছরে এলাকায় বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে নিজের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করেছেন সোহেল রানা। অভিযোগ রয়েছে, ৫ আগস্টের পূর্বে তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সুবিধাবাদী অবস্থান নিয়ে দল পরিবর্তন করেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
এছাড়াও জাতীয় নির্বাচনের আগে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। নির্বাচনের পর আবারও রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করে এলাকায় নতুন পরিচয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকায় সেই প্রভাব ব্যবহার করে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করছেন সোহেল রানা। শরিকদের জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করে তা নিজের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, শফিকুল নামে এক ব্যক্তির কাছে জমি বিক্রি করলেও দীর্ঘদিন ধরে সেই জমি বুঝিয়ে দিচ্ছেন না সোহেল রানা। এতে ক্রেতা ও জমির অন্যান্য শরিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, সোহেল রানার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে অনেকেই ভয় পান। কারণ রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন এবং প্রশাসনিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি এলাকায় এক ধরনের প্রভাবশালী অবস্থান তৈরি করেছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সোহেল রানা বলেন, রফিকুল বরং আমাকে শরিকের জমি দিচ্ছে না। সে সম্পর্কে আমার চাচা। তিনি বিতর্কিত ব্যক্তি। এলাকার মসজিদে সভাপতি করার পর থেকেই তিনি আমার প্রতি ক্ষুব্ধ। গতকাল তিনি আমার বাবা-মার ওপর হামলা করেছেন। আমি থানায় জিডি করেছি। জমি নিয়ে তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।