সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন তিন আন্তর্জাতিক সংস্থার নবনিযুক্ত প্রতিনিধি

তিন আন্তর্জাতিক সংস্থার নবনিযুক্ত প্রতিনিধি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত ড. খলিলুর রহমানের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন। তারা

তিন আন্তর্জাতিক সংস্থার নবনিযুক্ত প্রতিনিধি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত ড. খলিলুর রহমানের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।

তারা হলেন পার্টনারস ইন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (পিপিডি) সচিবালয়ের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. জোসেফ আকিনকুগবে অ্যাডেলেগান, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ কোকো এইচ উশিয়ামা এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) চিফ অব মিশন ড. লরা নিকোল টম-বন্ডে।

পরিচয়পত্র গ্রহণকালে ড. খলিলুর রহমান নবনিযুক্ত প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান এবং উন্নয়ন ও মানবিক অগ্রাধিকারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা আরও গভীর করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তিনি তাদের নতুন দায়িত্ব পালনে সাফল্য কামনা করেন।

এ সময় নবনিযুক্ত প্রতিনিধিরা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান। তারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বের প্রশংসা করেন এবং পারস্পরিক অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অধ্যাপক ড. জোসেফ আকিনকুগবে অ্যাডেলেগানের সঙ্গে বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রজনন স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা এবং মা ও শিশুস্বাস্থ্যের উন্নয়নে পিপিডির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, টেকসই উন্নয়ন ও জনসংখ্যাবিষয়ক উদ্যোগে সংস্থাটি ভবিষ্যতে আরও কার্যকর অবদান রাখবে।

ডব্লিউএফপির কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ কোকো এইচ উশিয়ামার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি এবং মানবিক সহায়তায় ডব্লিউএফপির দীর্ঘদিনের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি কক্সবাজার ও ভাসানচরে অবস্থানরত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য সংস্থাটির অব্যাহত সহায়তার প্রশংসা করেন এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের টেকসই সমর্থনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আইওএমের চিফ অব মিশন ড. লরা নিকোল টম-বন্ডের সঙ্গে বৈঠকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, সম্ভাব্য অভিবাসীদের দক্ষতা উন্নয়ন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অভিবাসন-সংক্রান্ত তথ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিবাসন বিষয়ক গ্লোবাল কম্প্যাক্ট বাস্তবায়ন, রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক সহায়তা এবং বিদেশে সংকটাপন্ন অবস্থায় থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের সহায়তায় আইওএমের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

ড. টম-বন্ডে উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন ব্যবস্থাপনা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন