সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বিএনপির দুপক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জেরে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টা থেকে উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের ইছাপুরা গ্রামে সাবেক দুই ইউপি চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ইছাপুরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন এবং জিয়াউল হক বকুল মিয়ার মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। তারা উভয়েই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত।

এরই জেরে শনিবার আক্তার হোসেনের সমর্থক ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এনাম খাঁর সঙ্গে জিয়াউল হক বকুলের সমর্থক ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুবেলের বাকবিতণ্ডা হয়, যা পরবর্তীতে সংঘর্ষে রূপ নেয়। ওই ঘটনার জের ধরে রোববার সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকেরা আবারও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়ায়। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও কয়েক দফায় চলা এই সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিক ও হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ঘটনার পর থেকে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক দুই চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন ও জিয়াউল হক বকুল আত্মগোপনে থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গ্রামে পুনরায় বিশৃঙ্খলা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন

আরও পড়ুন